১৯৯১ সালের ২৩ ডিসেম্বর, পার মন্টারি কাউন্টি জুভেনাইল কোর্টে দুটি অভিযোগের দোষ স্বীকার করে নিল। সে সবই স্বীকার করল। আদ্যোপান্ত সব। হ্যাঁ, আমিই পারমাস্টার। হ্যাঁ, আমি কম্পিউটারে অনুপ্রবেশ করি। হ্যাঁ, আমিই সিটিব্যাংক মেশিন থেকে হাজার হাজার ক্রেডিট কার্ড বিবরণী হাতিয়ে নিয়েছি। হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ।

কিছু দিক বিবেচনায়, এই অভিজ্ঞতা স্বস্তিদায়ক, কিন্তু পার জানত রোজেন তুরুপের তাসটি এখনো লুকিয়ে রেখেছেন।

রোজেন মামলাটা যেন জুভেনাইল কোর্টেই থাকে তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লাগলেন, কারণ, সেখানেই পার অল্প শাস্তি পাবে। কিন্তু, তাড়াহুড়ো করছিলেন বলেই যে রোজেন হোঁচট খাবেন তেমন লোক তিনি নন। তিনি পার’র মামলার কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ করে আবিষ্কার করলেন, অফিসিয়াল কাগজপত্রে পার’র জন্মদিন হল ১৫ জানুয়ারি ১৯৭১।  কিন্তু, আসলে পার’র জন্মদিন আরও কয়েকদিন আগে, কিন্তু ডিএ’র অফিস ব্যাপারটি জানত না।

ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২১ বছরের কম বয়সী নাগরিকের উপরেই জুভেনাইল কোর্টের এখতিয়ার আছে। কেউ যদি আঠার বছরের কম বয়স থাকতে কোনো অপরাধ করে থাকে এবং বিচারের সময়ে তার বয়স যদি ২১ বছরের কম হয়ে থাকে, কেবলমাত্র তখনই তাকে জুভেনাইল কোর্টে বিচার এবং শাস্তি দেওয়া যাবে।

১৩ জানুয়ারি পার’র মামলার শাস্তি ঘোষণার দিন ধার্য হলেও ৮ জানুয়ারি রোজেন মামলাটাকে বাতিল ঘোষণা করার আবেদন দাখিল করেন। নির্বাহী ডিএ ডেভিড স্কট যেইমাত্র জিজ্ঞেস করলেন কেন, রোজেন ওমনি বোমটা ফাটালেন।

পার ইতিমধ্যেই ২১ বছরে পা দিয়েছে, কাজেই তাকে শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ার আর জুভেনাইল কোর্ট’র নাই। তাছাড়া, ক্যালিফোর্নিয়ায়, কোনো মামলায় বিবাদী পক্ষ যদি জুভেনাইল কোর্টে একবার মামলার শুনানীর ভিতরে ঢুকে পড়ে তাহলে আর সেটাকে অন্য কোনো আদালতে স্থানান্তরিত করার বিধান নাই। পার যেহেতু তা করেই ফেলেছে, তার মামলা আর অন্যত্র স্থানান্তরিত করা যাবে না। আইনের ভাষায় এই পর্যায়কে ‘মোকাবিলাকৃত’ পরিস্থিতি বলে।

নির্বাহী ডিএ যেন প্রমাদ গুণলেন। আমতা আমতা করতে লাগলেন। ডিএ’র অফিস তখন অভিযোগে গুরুতর অপরাধের মাত্রা থেকে কমিয়ে মামুলী অপরাধের পর্যায়ে নামিয়ে নিল। তারা আলোচনার টেবিলে এলো। এসব কিভাবে হল? পার ছিল পলাতক আসামী। খোদার কসম, সে দুই বছরেরও বেশী সময় ধরে সিক্রেট সার্ভিসকে ধোঁকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। সত্যিকার অর্থে তার, কোনোভাবেই — ওই আদালত থেকে মুক্ত হয়ে বেরিয়ে আসা সম্ভব ছিল না।

আদালত তার জন্মদিন প্রমাণ করতে বললেন। ডিপার্টমেন্ট অফ মোটর ভেহিকলের দেওয়া ড্রাইভার লাইন্স চট করে দেখে নিয়ে প্রমাণ হয়ে গেল যে পার এবং তার আইনজীবী সত্য বলছেন। কাজেই, পার মুক্তি পেয়ে গেল।

সে কোর্টের বাইরে বেরিয়ে এলো, এবং সূর্যের দিকে মুখ করে তাকাল। দুইমাস পর, দেশের দুই প্রান্তের তিনটা জেলে কাটিয়ে, অনেকদিন পর সূর্যটাকে তার এতো ভাল লাগল। হেঁটে বেড়াতেই আনন্দ। রাস্তায় উদ্দেশ্যহীণ ঘুরে বেড়াতেও তার এতো আনন্দ হচ্ছিল।

যাহোক, পার’র দৌড় আসলে এখনো শেষ হয়নি।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্যালিনাসের কাউন্টি জেল থেকে মুক্ত হয়ে সে দেশের আনাচেকানাচে ঘুরে বেড়াতে শুরু করল এবং অস্থায়ী চাকরিও শুরু করল এখানে-সেখানে। কিন্তু কোথাও থিতু হওয়া তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ল। সবথেকে খারাপ কথা, উদ্ভট সব ঘটনা তার জীবনে ঘটতে শুরু করল। অবশ্য, ওসব সবসময়ই তার জীবনে ঘটেছে, কিন্তু দিনে দিনে যেন আরও অদ্ভুত হতে লাগল। তার বাস্তবজ্ঞান ক্রমেই পরিবর্তিত হতে লাগল।

মোটেলের ঘরেও নানান ঘটনা ঘটত। হয়তো দেখা গেল সে লাস ভেগাস ট্রাভেলজে বসে আছে, খেয়াল করে দেখল কেউ একজন তার ঘরের নিচে ঘোরাফেরা করছে। পার সেই শব্দ শুনতে খুব চেষ্টা করত। মনে হতে যেন লোকটা তার সঙ্গেই কথা বলছে। লোকটা তাকে কি বলতে চাইছে? পার কথাগুলো পুরোপুরি ধরতে পারত না, কিন্তু যতোই শুনত, ততোই তার মনে হত সে তাকে কোনো বার্তা পৌঁছাতে চাইছে যেটা সে অন্যকাউকে জানাতে চায় না। ব্যাপারটা খুবই হতাশাজনক। সে যতো চেষ্টাই করত, মেঝেতে বা দেয়ালে কান না পাতার জন্য যতোই সে মনস্থির করত, পার নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারত না।

এই সুররিয়াল অভিজ্ঞতা চলতে থাকল। পার’র বণর্ণায়, মেক্সিকোতে ঘোরার সময়, তার মনে একটা অদ্ভুত ভাবনা এলো, তাই সে এক বিকেলে ইউএস কনসুলেটে গিয়ে সাহায্য চাইল। কিন্তু কনসুলেটের সবাই তার সাথে অদ্ভূত আচরণ করল।

তারা তার পরিচয় চাইলে সে তাদের তার ওয়ালেটটা দিল। তারা তার সোশাল সিকিউরিটি কার্ড এবং তার ক্যালিফোর্নিয়ার পরিচয়পত্রটা নিয়ে তাকে অপেক্ষা করতে বলল। পার’র মনে হল তারা কম্পিউটারে তার পরিচয় যাচাই করেত গেল। অপেক্ষা করার সময়, তার পা কাঁপতে লাগল এবং কাঁপুনিটা তার শিরদাঁড়া বেয়ে উঠে গেল। কোনো হালকা কাঁপুনি নয়, একেবারে ধাক্কা দেওয়া কাঁপুনি। তার মনে হল সে যেন ভূমিকম্পের কেন্দ্রে আছে এবং সে দারুণ ভয় পেয়ে গেল। কনসুলেটের কর্মকর্তা তার দিকে তাকাল।

অবশেষে পার’র কাঁপুনি থামল। আরেকজন কর্মকর্তা এসে তাকে চলে যেতে বলল।

সে পারকে জানাল,’এখানকার কেউ আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না।’

কনসুলার অফিসার তার সঙ্গে এভাবে কথা বলল কেন? তাকে চলে যেতে হবে — এইকথা থেকে পার কি বুঝবে? সে আসলে কি বলতে চাইছে? পার তার কথা ধরতে পারল না। আরেকজন কনসুলার কর্মকর্তা হাতকড়া নিয়ে পার’র কাছে এলো। সবাই এমন উদ্ভট আচরণ করেত শুরু করেছে কেন? ওই কম্পিউটার। হয়তো তারা ওই কম্পিউটারে তার ব্যাপারে কোনো বিশেষ বার্তা পেয়েছে।

পার তার অবস্থা বর্ণনা করতে চেষ্টা করল, কিন্তু কনসুলেট কর্শকর্তা তা বোঝার চেষ্টা করল না। সে তাদের বলল, সে কেমন করে আড়াই বছর ধরে সিক্রেট সার্ভিসকে ফাঁকি দিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু, তাতে সন্দেহের দৃষ্টি আরও তীব্র হল। অভিব্যক্তিহীন মুখ। কোনো সহানুভূতি নাই। সে যতোই ব্যাখ্যা করে, তাদের মুখের অভিব্যক্তি ততোই ভাবলেশহীন হয়ে যায়।

কনসুলাল অফিসের লোকজন তাকে জানাল যে অফিস ওইদিনের জন্য বন্ধ করা হবে। তাই, তাকে এখন বিল্ডিং থেকে বেরোতে হবে। কিন্তু পার’র সন্দেহ হল সেটা অজুহাত মাত্র। এর কিছু মিনিট পর, একজন মেক্সিকান পুলিশ অফিসার এলো। সে একজন কনসুলার কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলল, এক পর্যায়ে সে, পার’র ধারণা একটা কাগজে মোড়ানো একতাড়া পেসো তার হাতে চালান করল।

আরও দুইজন পুলিশ অফিসার কনসুলেটে ঢুকল। তাদের একজন পার’র দিকে ঘুরে বলল, ‘চলে যান!’ কিন্তু পার কোনো উত্তর দিল না। তাই মেক্সিকান পুলিশ পারকে পাঁজাকোলা করে ধরে তাকে কনসুলেটের বাইরে রেখে এলো। তারা এভাবে কনসুলেটের বাইরে ফেলে দেওয়ায় পার এতোই ক্ষুদ্ধ এবং বিভ্রান্ত বোধ করল যে সে চিৎকার করতে লাগল।

তারা তাকে একটা পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে এক রাত্রি জেলে পুরে রাখল।

পরদিন, তারা পারকে ছেড়ে দিল এবং আবার ইউএস কনসুলেট খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত সে সারাশহর উদ্ভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াল। সেই একই কনসুলার কর্মকর্তা এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল সে কেমন বোধ করছে।


পার বলল, ‘ওকে।’

পার তখন সেই কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করল সে তাকে সীমান্ত পর্যন্ত যেতে সাহায্য করতে পারবে কিনা এবং এতে সে সায় দিল। এর কিছু মিনিট পরে একটা সাদা ভ্যান পারকে তুলে নিল এবং তাকে সীমান্ত পারপারে নিয়ে গেল। তারা যখন পৌঁছুল, পার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করল তাকে ২ ডলার দিতে পারবে কিনা যাতে সে ট্রেনের টিকেট কাটতে পারে। ড্রাইভার তাকে দিল।

পার কোথায় যাচ্ছে কিচ্ছু না জেনেই ট্রেনে উঠে পড়ল।

[  ]

১৯৯২ সালে থিওরেম ক্যালিফোর্নিয়ায় দুইবার এসে পার’র সঙ্গে থেকেছে এবং তাদের সম্পর্ক আবারও ডানা মেলতে শুরে করছিল। পার কাজের সন্ধানে ঘুরছিল যাতে সে থিওরেম’র ২০০০০ ডলার ধার শোধ করতে পারে, যেটা সে তার ফেরারি জীবনে এবং মামলার সময় দিয়েছিল, কিন্তু কাজ পেতে কষ্ট হচ্ছিল। মানুষ তাকে কাজ দিতে চাইত না।

‘তোমার তো কম্পিউটারে কোনো দক্ষতা নাই.’ তারা বলত। সে ঠান্ডা স্বরে ব্যাখা করত, হ্যাঁ, তার কম্পিউটার দক্ষতা আছে।

‘আচ্ছা, কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রী নিয়েছ?’ তারা জিজ্ঞেস করত।

না, সে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু শেখেনি।

‘আচ্ছা, কোন কোন কোম্পানিতে কাজ করা অভিজ্ঞতা আছে?’

না, সে কোনো কোম্পানিতে কাজ করেও কিছু শেখেনি।

‘আচ্ছা, তাহলে তুমি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত কী করেছ?’ অবধারিতভাবে মালিকপক্ষ রাগতস্বরে এই প্রশ্নটা তখন জিজ্ঞেস করত।

‘আমি…..আসলে….সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি।’ তাছাড়া আর পার’র কীই বা বলার ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরই বা সে কীভাবে দেবে?

কপালা ভাল থাকলে এজেন্সি তাকে ঘন্টায় ৮ ডলার মজুরীতে ডাটা-এন্ট্রির কোনো কাজ দিত। আর কপাল মন্দ হলে, এরচেয়েও কম মজুরীতে কোনো কেরানী গোছের কাজ পেত।

১৯৯৩ এর দিকে, থিওরেম’র সাথে সম্পর্কটায় ফাটল ধরল। সাড়ে চার বছর একসাথে থাকার পর তারা আলাদা হয়ে গেল। সবদিক দিয়েই দূরত্ব বেড়েই চলছিল। থিওরেম আরও স্থির জীবন চাচ্ছিল – তবে চিরায়ত সুইস পরিবারগুলোর মত নয়, তিনটি বাচ্চা এবং আল্পসের গা ঘেঁষে একটা সুন্দর বাড়ি, তবে, পার’র ভবঘুরে জীবনের চেয়ে একটু স্থির একটা জীবন।

এই বিচ্ছেদ দুজনের জন্যই নিদারুণ কষ্টকর ঘটনা ছিল। এই সিদ্ধান্তের পর কয়েক সপ্তাহ তাদের আর কোনো কথা হল না। থিওরেম ভাবতে লাগল সে কোন ভুর করল কিনা। সে চাইছিল পারকে আবার ফিরতে বলবে। কিন্তু সে বলেনি।

পারও মদের নেশায় ডুবে গেল। একের পর এক টাকিলা নিতে লাগল। গিলতে লাগল দেদারসে। গ্লাস ভাংতে লাগল। একটা গ্লাস টাঁইটাঁই করে ভরে। সেটা ভাঙে আবার আরেকটা ভরে। কিছুক্ষণের মাঝেই সে জ্ঞান হারায়। এরপর কিছুদিন সে ভয়াবহ অসুস্থ হয়ে পড়ে, কিন্তু তাতে তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নাই। এভাবে অসুস্থ হলে বরং রোগবালাই দূল হয়।

কিছুদিনের মাঝেই, রোজেন পার’র রেইড হওয়া জিনিসপত্র সিক্রেট সার্ভিসের হাত থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়। সে সেই পুরাতন কম্পিউটার আর জিনিসপত্র পারকে ফিরিয়ে দেয়, সাথে সেই ডিস্ক, প্রিন্টআউট এবং নোটগুলোও।

পার তার বাক্সো থেকে সবগুলো জিনিস এবং এক বোতল জ্যাক ড্যানিয়েলস বের করে আনে আর তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সবগুলো প্রিন্ট আউট কুটিকুটি করে ছিঁড়ে ফেলে এবং সেগুলোকে দাহ্য তরলে ডুবিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। তার সবগুলো ডিস্ক আগুনে ছুঁড়ে দেয় এবং সেগুলোর গলে যাওয়া দেখে। পাতার পর পাতা নোট এবং অফিসিয়াল রিপোর্টগুলো উল্টায় আর তার অনেক স্মৃতি মনে পড়ে যায়। সে এমনকি একটু জ্যাক ড্যানিয়েলস মেঝেতে ছিটিয়েও নেয়।

সিক্রেট সার্ভিস রিপোর্টের কয়েকটা পাতা উল্টাতে গিয়ে কয়েকটা জায়গায় তার চোখ আটকে যায়। ১৯৮৮ তে যে থ্যাংকসগিভিঙ রেইডে পার’র বাড়ি ঘেরাও হয় সেই সময় সিরিজ রেইডে  দুনিয়া ধরে অনেক হ্যাকারকে ধরা হয়েছিল। এরিক ব্লাডএ্যাক্স, দ্য মড বয়েজ, দ্য লড বয়েজ, দ্য আটলান্টা থ্রি, প্যাড এবং গ্যান্ডাল্ফ, অস্ট্রেলিয়ানদের অনেকে — তাদের সকলেই ১৯৮৯, ১৯৯০ এবং ১৯৯১ এর মাঝেই ধরা পড়ে।

এই রেইডগুলোর মাঝে সম্পর্ক কী? তিনটা ভিন্ন মহাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কি সত্যিই দুনিয়া ধরে হ্যাকারদের ধরার জন্য এতোটাই সংঘবদ্ধ হয়েছিল?

সিক্রেট সার্ভিসের রিপোর্ট তাকে একটা রহস্যের সন্ধান দিল। সেখান বলা হয়েছে, ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে, দুইজন চর সিক্রেট সার্ভিস স্পেশাল এজেন্টদের দুটি ভিন্ন এলাকা থেকে কল দিয়ে পার’র ব্যাপারে তথ্য দেয়। চরেরা — দুজনেই হ্যাকার — সিক্রেট সার্ভিসকে জানায় যে ‘সিটিব্যাংক হ্যাকারকে’ তারা খুঁজছে সে পার নয়। তারা জানায় সত্যিকার ‘সিটিব্যাংক হ্যাকার’ এর নাম হল ফিনিক্স।

অস্ট্রেলিয়ার ফিনিক্স।