সবগুলো দরজা একে একে খুলে এবং সন্তর্পণে হলরুম গলে পার বেরিয়ে গেল। চুপিসারে সিঁড়ি বেয়ে নামার পর, ভোরের হাওয়া তার শিরদাঁড়ায় একটা শিহরণ বইয়ে দিল। এদিক-ওদিক দ্রুত দেখে নিয়ে, সে অপেক্ষমান গাড়ির দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে গেল, পেছনের দরজা খুলল এবং সিটের দিকে লাফ দিল। মাথা যথাসম্ভব নামিয়ে রেখে সে এদিক ওদিক তাকাতে লাগল, মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে দরজাটা মৃদুশব্দে লাগিয়ে দিল।

গাড়িটা চলতে শুরু করল। পার মেঝেতে পড়ে থাকা একটা কম্বল তুলে নিয়ে গায়ে জড়িয়ে নিল। কিছুক্ষণ পর, জন যখন জানালো তারা নিরাপদে শহর ছেড়ে এসেছে, পার কম্বল থেকে বের মাথা বের করল এবং ভোরের আকাশের দিকে তাকালো। সে মেঝেতে আরামে বসার চেষ্টা করল। দীর্ঘ একটা যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।

অ্যাশভিলে, জন পারকে নির্ধারিত জায়গায় নামিয়ে দিল। পার তাকে ধন্যবাদ দিয়ে অপেক্ষমান আরেকটা গাড়িতে লাফ দিয়ে উঠল।  তার বিরাট নেটওয়ার্কের কোনো বন্ধু বা পরিচিত কেউ একজন তাকে শার্লোটে নামিয়ে দিল।

এইবার পার একদম সামনের সিটে বসল। প্রথমবারের মত, হারিকেন হুগোর সত্যিকার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে পেল। যে ছোট্ট শহরটায় সে ছিলো সেখানে শুধু বৃষ্টি আর ঝড়ো বাতাস ব য়ে গেছে, কিন্তু, নিউ ইয়র্কের প্লেন ধরার জন্য শার্লোট বিমানবন্দরে যাবার পথে, পার তান্ডব সচক্ষে দেখে বিস্মিত হয়ে গেল। সে গাড়ির জানালা দিয়ে মাথা বের করে দিল, ঝড়ের ধ্বংসযজ্ঞ দেখে চোখের পাতা ফেলতে পারল না।

নড়বড়ে আর ভঙ্গুর যাকিছু পেয়েছে, হারিকেনটা সব উড়িয়ে নিয়ে গেছে এবং সেগুলোকে যেন আত্মঘাতী মিসাইলের মত ব্যবহার করেছে। ভয়ংকর বাতাসের পর দুমড়ানো-মচকানো, ভাঙা যাকিছু অবশিষ্ট রয়েছে সেগুলো দেখে আর চেনার উপায় নাই, এমনকি যে আগেও দেখেছে তার পক্ষেও।

[  ]

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে হত বলে থিওরেম পারকে নিয়ে সবসময়ই চিন্তিত থাকত। এমনকি, সে অনেকবার এসব ছেড়েছুঁড়ে দিতেও বলেছে। শহরে শহরে ঘুরে বেড়ানোর ক্লান্তি পার’র উপর ভর করছে, থিওরেমের পক্ষেও বিষয়টা বেশ সহজ ছিল না। থিওরেম ভেবেছিল প্রথমেই শক্ত কথা শুনানো ভালো বুদ্ধি হবে না, তাই সে উকিলের পয়সা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে তার দৌড়ে বেড়ানো বন্ধ হয়। পার সেই প্রস্তাব মানেনি। সে কেমন করে ধরা দিবে যেখানে গুম হয়ে যাওয়াই একমাত্র নিয়তি? থিওরেম তাকে টাকা পাঠাত, যেহেতু, তার কামাই করার কোনো উপায় ছিল না, কিন্তু পেট তো ঠিকই চালাতে হত। যদিও, দুশ্চিন্তা সারাক্ষণ ভর করে থাকত। ফোন কলের মধ্যেই পার’র যেকোন কিছু হতে পারে। সে কি জীবিত আছে? জেলে যায়নি তো? রেইডের মধ্যে পড়েছে নিশ্চয়ই, রেইডের ভুল করে মধ্যে গুলি খেয়ে মরেনি তো?

সিক্রেট সার্ভিস এবং বেসরকারি নিরাপত্তাসংস্থার লোকেরা মনে হয় যেন তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। বিষয়টা দুশ্চিন্তার,  আবার আশ্চর্যজনকও। পার তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। সে তাদের মেশিনের নিরাপত্তা ভেঙে ঢুকেছে এবং তাদের গোপনীয় তথ্য আন্ডাগ্রাউন্ডে ফাঁস করে দিয়েছে। সে যখন বাড়িতে ছিল না তখনও তারা বাড়িতে পর্যন্ত হানা দিয়েছে। নর্থ ক্যারোলিনায় দ্বিতীয় রেইডের সময় আঙুলের ফাঁক দিয়ে সে কেটে পড়েছে। সে সবসময় তাদের ক্ষেপিয়ে তুলেছে, হ্যাকিং খুল্লমখুল্লা জারি রেখেছে এবং ভয়েসমেইল মেসেজগুলোতেও তাদের সঙ্গে অবমাননাকর আচরণ করেছে। নানান ধরণের ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধাওয়া করেও সে তাদের ক্ষেপিয়ে তুলেছিল বলেই মন হয়, কারণ, সে অনবরণ তার অবস্থান সম্পর্কে ভুয়া গুজব ছড়াতো। তবে, সবচেয়ে বড় কথা, সে ভেবেছিল, তারা হয়তো তার টিআরডব্লিউ সিস্টেমে ঢোকার খবরও জানতো। কাজেই, সে বিপদে ছিল।

পার আরও বেশী অসুস্থ হয়ে গেল, বিভিন্ন শহরে ঘুরে বেড়ানোর সময় কেউ পিছনে লেগেছে কিনা তা দেখার জন্য সে সর্বদা ফিরে ফিরে তাকাত। ক্লান্তি তার পিছু ছাড়ত না। কখনো ঠিকমত ঘুমাতে পারত না, সবসময় মনে ভয় বুঝি কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে। কোনো কোনো সকালে, অল্প কয়েকঘন্টা ছাড়া ছাড়া ঘুম হলে, সে হঠাৎ জেগে উঠত এবং বুঝতে পারত না সে কোথায় আছে। কোন বাড়ি বা মোটেল, কোন বন্ধু বা কোন শহরে সে আছে।

তবুও সে সবসময় হ্যাকিং চালিয়ে যেত, যেখান থেকে পারত মেশিন ধার করে নিয়ে। সে ফিনিক্স প্রজেক্টে ঘনঘন মেসেজ পোস্ট করত। এটা ছিল দ্য মেন্টর এবং এরিক ব্লাডএক্স পরিচালিত এবং এলওডি সদস্য আর অস্ট্রেলিয়ান হ্যাকারদের একটা আকষর্ণীয় বিবিএস। কয়েকজন বিখ্যাত কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞও এই টেক্সাস-কেন্দ্রীক বোর্ডের কিছু নির্দিষ্ট এবং সীমাবদ্ধ এলাকায় ঢোকার আমন্ত্রণ পেতেন। এতে আন্ডারগ্রাউন্ডে ফিনিক্স প্রজেক্টের মর্যাদা রাতারাতি বেড়ে গিয়েছিল। হ্যাকাররা যেমন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল তেমনি তারাও আগ্রহী ছিলেন শিকার ধরার ব্যাপারে। ফিনিক্স প্রজেক্টের বিশেষত্ব হল, সেখানে নিরপেক্ষ একটা স্থান তৈরি হয়েছিল, যেখানে দুইপক্ষই যোগাযোগ এবং ভাব-বিনিময় করতে পারত।

সেখানে মেসেজ আদানপ্রদান করে, পার তার হ্যাকিং দক্ষতাও ঝালিয়ে নিতে পারছিল, সেইসাথে বন্ধুদের সাথে, টেক্সাসের এরিক ব্লাডএক্স এবং মেলবোর্নের দ্য রেল্ম’র ফিনিক্সের সাথেও যোগাযোগ রাখতে পারছিল। ফিনিক্স প্রজেক্টে ইলেকট্রনও প্রায়ই আসতো। এই হ্যাকাররা জানত পার দৌড়ে বেড়াচ্ছে, এবং কখনো কখনো এসব নিয়ে তার সঙ্গে ইয়ার্কিও মারত। এইসব রসিকতা পার’ কঠিন বাস্তবতাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করত। ফিনিক্স প্রজেক্টের সব হ্যাকারই ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা মাথায় নিয়েই আসত। কিন্তু পার’র উপস্থিতি এবং তার ভবঘুরে জীবনের যন্ত্রণা, বাড়িতে থাকার সুখকে প্রায়ই বিড়ম্বনায় ফেলত।

কারণ, পার’র মেসেজগুলোতেও বিষন্নতা এবং দুশ্চিন্তার স্পষ্ট ছাপ পড়ত। অন্যান্য হ্যাকাররাও তাকে যতদূর পারত সাহায্য করত। এলিট ইউএস এবঙ বিদেশী হ্যাকাররা যাদের দ্য ফিনিক্স প্রজেক্টের গোপনীয় অংশে প্রবেশাধিকার ছিল তারা তার মেসেজগুলো দেখত এবং তার কষ্টও বোঝার চেষ্টা করত। তবুও, পার ধীরে ধীরে তার নিজের মধ্যেই কুঁকড়ে যেতে থাকল।

বিষয়: বাল!!!

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: শনিবার জানুয়ারি ১৩ ০৮:৪০:১৭ ১৯৯০

বাল! আমি গতরাতে মাতাল ছিলাম এবং সেই ফিলিপাইনের সিস্টেমে গেছিলাম…

বোকাচোদা এডমিন এসে আমারে জিগায় আমি কেডা…

তারপর যা টের পেলাম, আমি বুট অফ করছি এবং একাউন্ট দুইটাও চইলা গেছে।

শুধু তাই না..পুরা ফিলিপাইনের নেটই আর একটা বালের কালেক্ট কলও নিতেছিল না। (আমি বুট অফ করার পর পুরাটাই ভোগে চলে গেছে!!)

কেউ হয়তো আমার জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে গেছিল।

যাহোক, পোলাপান, কখনো মাল খেয়ে হ্যাক কোরো না!

  • পার

বিষয়: হযব

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: শনিবার জানুয়ারি ১৩ ০৯:০৭:০৬ ১৯৯০

এসএস এবং এনএসএ’র টিকটিকিরা ভাবছে আমি কমরেড.. হেহেহে আমি যে এখনো বাঁইচা আছি তাতেই খুশী।

হাহাহাহাহাহা

<গ্লাস্টনস্ট এবং আরও বালছাল>

  • পার

বিষয়: দ্য বটম লাইন

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: রবিবার জানুয়ারি ২১ ১০:০৫:৩৮ ১৯৯০

দ্য বটম লাইন একটা চোর ধরার জিনিস। ফ্র্যাক ম্যাগাজিনের পোলাপানের ধরা খাওয়াটা শুরু মাত্র, এই ব্যাপারে আমার সন্দেহ নাই।

এখনই সাবধান হয়া যাও সবাই।  কোড, কার্ড ইত্যাদি – যাই করো না কেন, সাবধান হও।

এমনিতেই সরকারের ধৈর্যচ্যূতি ঘটেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এগুলো এখন শুধুমাত্র খবরের মত শোনালেও, এইসবই সরকারকে হ্যাকার দমনে আরও পয়সা ঢালতে বাধ্য করবে।

এবং, এইটা অবশ্যই আমাদের জন্য মহা খারাপ খবর। আমার মনে হয় তারা এবার সব ‘নাটের গুরুদের’ পিছে লাগবে – যারা পোলাপানকে এইসব আকাম-কুকাম শিখায়।

আমার তো সন্দেহ হয় এইসব বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে বলেই তারা ভাবছে। আমরা যে হ্যাকার শুধুমাত্র এই বিষয়টাই তারা ভালোমতো বুঝতে পারে। এবং, আমাদের পিছনের তারা তাদের সমস্ত শ্রম ব্যয় করবে। সব হ্যাকারদের নিধন করার জন্য — এবং তারা নিরাপত্তা হুমকি হয়ে ওঠার আগেই তাদের থামানোর জন্য। এজন্য নাটের গুরুদের ভোগে পাঠাতে হবে, তাহলেই হবে। অবশ্য এইটা শুধু একটা ভাবনা।

  • পার

বিষয়: সংযোগ

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: রবিবার জানুয়ারি ২১ ১০:১৬:১১ ১৯৯০

আচ্ছা, গ্যান্ডাল্ফ (একজন ব্রিটিশ হ্যাকার) যেমনটা বলেছিলেন, বিচ্ছিন্নতাই হল একমাত্র সংযোগ।

আমার এপিটাফে এটাই লেখা থাকবে।

বিচ্ছিন্নতাই হল একমাত্র সংযোগ…

ও হ্যাঁ, এজন্য যতো গুয়ামারা খেতে হয় খাব।

  • পার

বিষয়: ওহ আচ্ছা।

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: মঙ্গলবার জানুয়ারি ২৩ ১৯:৩০:০৫ ১৯৯০

‘সময় শেষ হয়ে এলো, প্রায়। আমি সব অলিগলি তস্য গলি ঘুরে বেড়িয়েছি…’ রাজার মত করে বললাম। ও আচ্ছা। তাতেই বা কী? সে তো মরার আগেও একটা মোটা বোকাচোদা ছাড়া কিছুই ছিল না।

তোমরা যারা ভালো বন্ধুর মত পাশে ছিলে এবং আমার সীমাহীন অজ্ঞতাকে সবসময় প্রশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করেছ – তাদের ধন্যবাদ। আর বাদবাকিদের বলব, মাথা ঠান্ডা রাখো এবং হাল ছেড়ো না।

আমি কিছু সময়ের জন্য পাগল হয়ে গেছি

স্মার্ট লোকজনের সঙ্গে পাগলা গারদে দেখা হবে।

  • পার

বিষয়: পার

প্রেরক: এরিক ব্লাডএক্স

তারিখ: মঙ্গলবার জানুয়ারি ২৩ ২৩:২১:৩৯ ১৯৯০

ছিঃ, মাল খেয়ো না আর ওইসব নিয়ে ভেবোও না। আমিও মানসিক এবং শারীরিকভাবে সুস্থ নাই।

টেক্সাসের অস্টিনে এসো।

যতদিন না তোমার জন্য কোনো সমাধান বের করতে পারি ততোদিন তোমার থাকার বন্দোবস্ত আমরা করব।

জীবনটা শেষ করে দেওয়ার থেকে এক বছর ন্যূনতম নিরাপত্তার (ফেডারাল জেলে) মধ্যে বাঁচাও ভালো। আর, তোমার তো সবে ১৯ হল!! আমিতো ‘চিরস্থায়ী’ বন্দোবস্তের আশা পুরোপুরি ছেড়ে দিয়েছি। মরা মানুষ চুদতে পারে না, তবে ফেডারাল জেলের বন্দীরাও কিন্তু বউ লাগানোর সুযোগ পায়!!!

থিওরেমের কথাটাও ভাবো।

এটা পড়ামাত্র কল দিও… তোমাকে খুবই চিন্তিত মনে হচ্ছে, কাজেই দ্রুত কল দাও…

  • এরিক

বিষয়: হাহ

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: বৃহস্পতিবার জানুয়ারি ২৫ ১৮:৫৮:০০ ১৯৯০

শুধু মনে রেখো তোমার সবকিছুই ওরা দেখছে। বিশ্বাস করো। আমি জানি।

  • পার

বিষয়: আচ্ছা ঠিকাছে।

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: সোমবার জানুয়ারি ২৯ ১৫:৪৫:০৫ ১৯৯০

দ্রুতই আসছি ভ্রাতাগণ।

আমার হাতে যদি আরও সময় থাকতো ভাল হত। তাহলে একটা উপায় বের করে ফেলতাম। কিন্তু না। ওরা আমার ধারেকাছে চলে এসেছে।

আমি এখন বাইরে থেকেই বলতে পারি কোন গাড়িতে ওরা আছে। আমার জীবনের সবচেয়ে উদ্ভট ডেজা ভ্যু হল এটা।

যাহোক, একটা উদ্ভট কল পেয়েছি আজ। এডি করেছিল, সে বেল সিস্টেমস কম্পিউটারের একজন।

আমার অনুমানের মতোই অনেকটা……বিশেষ করে তার ‘বিদায়’ বলার ভঙ্গীটা। এডি আমার ভাল বন্ধু ছিল, সবথেকে স্মার্ট ইউনিক্স ওস্তাদ…এবং সে আমাকে আজকে বিদায় জানাতেই কল করেছিল।

এখন আমি বুঝতেছি যে আমি চুদে গেছি। ধন্যবাদ, এডি, তোমার কথাই সত্য। (তুমি যেই হও) ‘ঠিক আছে এডি, এইটা তোমার জন্য’

বিদায়,

  • পার

বিষয়: পার
প্রেরক: এরিক ব্লাডএক্স

তারিখ: সোমবার জানুয়ারি ২৯ ১৯:৩৬:৩৮ ১৯৯০

ভাই পার, তুমি বেশী বকতেছো… গাঞ্জা খাওয়াটা ছাড়ো। কালা স্যুট আর চশমা পড়া সবাই ফেডারাল পুলিশের লোক না। একই ধরণের হাবক্যাপ থাকলেই সব গাড়ি সরকারি নাও হইতে পারে।

আর, শোনো, আমি জানিনা এই ‘এডি’ মালটা কে, তবে তোমার মেসেজটা যে মহা উদ্ভট তাতো বুঝতেছ।

আস্টিনে আসো…কালই…পরিস্থিতি ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত তোমারে লুকায়া রাখার হাজারখানেক জায়গা আছে।

  • এরিক

বিষয়: এহহ…

প্রেরক: ফিনিক্স (অস্ট্রেলিয়া থেকে)

তারিখ: মঙ্গলবার জানুয়ারি ৩০ ০৭:২৫:৫৯ ১৯৯০

হুমমমমমম…

<ভাবনাচিন্তা করার ইমো> [এসআইসি]

<ভুলে যাওয়ার ইমো…>

পার যেন কি করতেছ?

বিষয়: পার এবং এরিক

প্রেরক: দানিল অলিভাও

তারিখ: সোমবার জানুয়ারি ২৯ ২১:১০:০০ ১৯৯০

এরিক, আমার মেন হয় মানুষকে লুকায়া রাখার জন্য তুমি সবথেকে উপযুক্ত লোক নও, কি বলো?

বিষয়: কখন তুমি বুঝবা যে তুমি মারা খেয়েছ।

প্রেরক: দ্য পারমাস্টার

তারিখ: বুধবার জানুয়ারি ৩১ ১৪:২৬:০৪ ১৯৯০

তুমি মারা খেয়েছ বুঝবা
যখন:

যখন দেখবে টিকটিকিরা ১১ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় এবং ঠকঠক করা ঠান্ডার মধ্যেও কালা চশমা পড়ে তোমার প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

যখন একই গাড়ি দিন রাত বাইরে দিয়ে ঘোরাফেরা করতে থাকে। (আমি ওদেরকে একদিন কফি আর ডোনাট খাওয়াব বলে ভেবেছি)।

  • পার

বিষয়: হেহ, পার

প্রেরক: দ্য মেন্টর

তারিখ: বুধবার জানুয়ারি ৩১ ১৬:৩৭:০৪ ১৯৯০

উমমম। আমি নিজেই ১১ ডিগ্রি আর মেঘলা আকাশে সানগ্লাস পরি…সুতরাং, তুমি ওইসব চিন্তাও মন থেকে বিদায় করতে পারো। 🙂